Friday, June 19, 2015

সুখ

সুখ

বাগানের এক কোনে পাঁচিলের গায়
ছোট্ট ঝুমকোলতা উঁকি মেরে চায়

নামী দামী আম জাম কাঁঠালের দল
বাগানের  সব খানি করেছে  দখল

ফলের সুবাস নিয়ে  বাগান মালিক
হাসি হাসি মুখে
ফল বেচে  কতো টাকা আঁক কষে দেখে
ভরে ওঠে বুক  -
টাকা দেয় মানুষ কে এত্ত খানি সুখ

দিন যায় মাস যায় ঝুমকোলতা বাড়ে
আপন খেয়াল মতো পাঁচিলের  ধারে

কোথা হতে এলো ঝড় উথাল পাথাল
বাগান করলো নয় ছয়
হায় হায় হায়
বাগান মালিক শুধু মাথা চাপড়ায়

মালিকের ছোটো মেয়ে ফুলমণি এসে
দাঁড়ালো  সে পাঁচিলের পাশে
ছোট্ট ঝুমকোলতা পাঁচিলের গায়
বেঁচেছে তবু ও  ঝড়ে - পাঁচিল সহায়
কচি কচি পাতা আর রঙিন  ফুলেরা
ডাল পালা  মেলে  ডাকে  আয় আয়

শিশু মন ভরে ওঠে সুখে
ঝুমকোলতা দেখে.

পুতুল পুজো.

পুতুল পুজো.

সবুজ গ্রামের মাটির ঘরে  সোনার বউ পুজো করে  ,
সন্ধ্যা বেলায়  আলো ধরে  তুলসী তলায় গিয়ে  ,
শান্ত স্নিগ্ধ শীতল কুটির
গাছের পাতা ঝির ঝির ঝির
পুকুরের জল তির তির তির
আমি গিয়ে বাতাসা খাই
রোজ একটি করে  ,
শহর থেকে এলেন বিজ্ঞ
বলেন তম্বি করে ;
কিসের এত ফন্দি ফিকির
কিসের পুজো কিসের বা কি !
ওই  পুতুলে আছেটা কি
বলত খোলসা কোরে ;

সোনার বউ মিষ্টি হেসে
বলেন বিজ্ঞ বলেছেন বেশ
এ পুতুলে ঈশ্বর নেই ঠিক  -
তবু ও আছেন  - শত শত বছর ধোরে
আমাদের অন্তরে ,
পুতুল আমার ভাঙ্গে ও যদি
বিশ্বাস যে ফল্গু নদী
অন্তরেতে আছেন যিনি.
বাইরে তাঁকে এনে
করব  পুজো  নিত্য  নতুন স্থানে  ,
বাতাসা আর জল আমার মাটির গোপাল পায়  -
বসে থাকি কখন এই জ্যান্ত গোপাল এসে
সে প্রসাদ টি খায়