Monday, February 29, 2016

মধুরের সংগীতে




হৃদয় খুঁড়ে বেদনার বারি
খোঁজো তুমি- মরু ভুমি অন্তর,
তুমি পাওনি খবর,
কোথা জলাসয় বৃষ্টি বাদল,
মেঘপাখিদের দল,
কার চোখের তারায়
দৃষ্টি হারায় ,ভ্রু-ভংগিমায়
নাচে থরথর জগো চরাচর!
তবু কেন বৃথা এতো আয়োজন
কার প্রয়োযনে
করাঘাত করো,
কার ইচ্ছায় ডানা কাটা গাংচিল,
অসহায় ডোবে এক হাত জলে
হদয়ে নাড়ায় কড়া !
ভুলে গেছে মন
সেই মধুবন
আজো আসে চুপিসারে,
হৃদয়ের তারে ওঠে ঝংকার,
ফল্গু ধারায় ধুয়ে যায় যতো
বেদনর রঙ কালো ;
যতো দূর যাও যন্ত্রনা দাও
তবু ও পাবেনা ছুঁতে ,
বেদনার বারি
লুকিয়েছি আমি
মধুরের সংগীতে।

Friday, June 19, 2015

সুখ

সুখ

বাগানের এক কোনে পাঁচিলের গায়
ছোট্ট ঝুমকোলতা উঁকি মেরে চায়

নামী দামী আম জাম কাঁঠালের দল
বাগানের  সব খানি করেছে  দখল

ফলের সুবাস নিয়ে  বাগান মালিক
হাসি হাসি মুখে
ফল বেচে  কতো টাকা আঁক কষে দেখে
ভরে ওঠে বুক  -
টাকা দেয় মানুষ কে এত্ত খানি সুখ

দিন যায় মাস যায় ঝুমকোলতা বাড়ে
আপন খেয়াল মতো পাঁচিলের  ধারে

কোথা হতে এলো ঝড় উথাল পাথাল
বাগান করলো নয় ছয়
হায় হায় হায়
বাগান মালিক শুধু মাথা চাপড়ায়

মালিকের ছোটো মেয়ে ফুলমণি এসে
দাঁড়ালো  সে পাঁচিলের পাশে
ছোট্ট ঝুমকোলতা পাঁচিলের গায়
বেঁচেছে তবু ও  ঝড়ে - পাঁচিল সহায়
কচি কচি পাতা আর রঙিন  ফুলেরা
ডাল পালা  মেলে  ডাকে  আয় আয়

শিশু মন ভরে ওঠে সুখে
ঝুমকোলতা দেখে.

পুতুল পুজো.

পুতুল পুজো.

সবুজ গ্রামের মাটির ঘরে  সোনার বউ পুজো করে  ,
সন্ধ্যা বেলায়  আলো ধরে  তুলসী তলায় গিয়ে  ,
শান্ত স্নিগ্ধ শীতল কুটির
গাছের পাতা ঝির ঝির ঝির
পুকুরের জল তির তির তির
আমি গিয়ে বাতাসা খাই
রোজ একটি করে  ,
শহর থেকে এলেন বিজ্ঞ
বলেন তম্বি করে ;
কিসের এত ফন্দি ফিকির
কিসের পুজো কিসের বা কি !
ওই  পুতুলে আছেটা কি
বলত খোলসা কোরে ;

সোনার বউ মিষ্টি হেসে
বলেন বিজ্ঞ বলেছেন বেশ
এ পুতুলে ঈশ্বর নেই ঠিক  -
তবু ও আছেন  - শত শত বছর ধোরে
আমাদের অন্তরে ,
পুতুল আমার ভাঙ্গে ও যদি
বিশ্বাস যে ফল্গু নদী
অন্তরেতে আছেন যিনি.
বাইরে তাঁকে এনে
করব  পুজো  নিত্য  নতুন স্থানে  ,
বাতাসা আর জল আমার মাটির গোপাল পায়  -
বসে থাকি কখন এই জ্যান্ত গোপাল এসে
সে প্রসাদ টি খায়

Friday, May 29, 2015

তুমি আর আমি শুধু

তুমি আর আমি শুধু
হাসি আর গানে ভরা  এ ই  পৃথিবীতে
বেখেয়ালে ভেসে চলে যাই
দুজনাতে বিছানাতে বকুল ছড়াই

আমাদের স্বপ্নবাসর থেকে দুরে
মাটিতে পেতেছে শয্যা যারা
দু:স্বপ্নের রাতে  -
এক মুঠো ভাতের স্বপ্ন চাই হাতে  ;

আমি আর তুমি তবু গান গেয়ে যাই
দুজনাতে দুজনা হারাই ;
আমরা জানিনি কোনো দিনও
ক্ষুধা  কাকে বলে  ,
আমরা অঞ্জলী ভোরে ভিক্ষা করিনি  ফ্যান
ভাতের বদলে

শীর্ণ শরীর আর ড্যাব ড্যাবে চোখে
চেয়ে আছে যারা,
তাদের জগতে নেই গান
শুধু কান্না ছাড়া

তুমি আর আমি তবু গাইব কি গান
আজো মধু রাতে  -
কেবলই , আমার সন্তান যেন
থাকে দুধে ভাতে

দেখি প্রকৃতির হাসি

ভালবাসা বাসি কতো হলো  বাসী
তবু দেখো হাসি এখনো
মলিন নয়
আশা ছিল যত  - তারা আজ ক্ষত
কি করে কি হলো  -
কেউ আজ কারো নয়
উদাসীর বাঁশী  ডেকে চলে গেছে
দূর নীলিমায়  মেঘের ভেলায়
দেখি  বসে তাই  .....,.হাসি
মন বলে ভালোবাসি
একে একে  সব যাবে  যে জানি তা -
তবু যারা গেল  কি করে ভুলি তা  -
কি করে  বুকের  ক্ষত  কে ভুলি
কি জোরে আবার কলম তুলি !
তাই বসে আছি
চেয়ে  আছি দুরে
মিশে গেছে  দেখি সবুজ আর নীলে
দেখি প্রকৃতির হাসি
ভালোবাসি ভালোবাসি

আমার ভাইয়ের হাসি কোই

সময়ের সাথে ক্ষয়ে যাওয়া স্মৃতি
উঁকি মারে -
বারে বারে  মনের আয়নায়
ছবি ধরা পরে  -
আমি কি এতটা নিষ্ঠুর  এতটাই উদাসীন
ভাবে  আঘাত করেছি তাকে !
ভেবে ভেবে  বুক ফেটে যায় -
হায় , কেন কিছু বলিসনি আমায় -
কেন চোখে আঙ্গুল দুটো  পুরে
বলিসনি  জোরে -
একদিন  নিজের ভুল  কাঁদাবে  আমায়-
সেদিন তুই কাছে নেই  -
পরিতাপ তাই শতগুণ হয়ে
জ্বলবে  অন্তরে  -
ফিরে আয় ফিরে আয়  -
তোর প্রানের অধিক প্রিয়  -
বোন্ ডাকে  -
চলে  গেছে যে জীবন সে কি আসে  !
আকাশ বাতাস হাসে
আমি চেয়ে রই -
আমার ভাইয়ের হাসি কোই