Friday, February 22, 2008

নরক গুলজার

লাইফ হেল করে দেব, চেঁচিয়ে বলে নেতা
সামনে তার লাঠির গায়ে লাল পতাকা পোঁতা ।
গ্রামের যত জমি আছে সব আমারের নামে,
যাকে খুশি বিক্রী করব ,যেমন ইচ্ছা দামে ।
যুগ-যুগ ধরে আমরা বসে আছি গদীতে,
বিরোধীতা করো যদি, ভাসিয়ে দেব ন্দীতে ।
*******

মৃত্যুর এই কারবারীরা স্বয়ং থাকে নরকে
ছেলের রক্তে রাঙ্গিয়ে মাকে,

বলে, আমার থেকে ক্রুঢ়কে?
শযতানীতে বড় হবার টেক্কা কে আর দেবে!
নরকের ঐ নৌকা জানি পাপের ভারেই ডোবে ।
ভগবানকে মানেনাতো, শয়তানকেই ধরে।
নারকীয় জীবন নিয়ে ডগমগিয়ে মরে ।
মুখে বলে ভারতীয়, গলায় চীনের দড়ি,
গরীবের পার্টি এরা বানায় বাড়ি-গাড়ি।
সমাজের সকল স্তরে জাল বিছিয়ে রাখে ।
ভোটটা যে না দেয় এদের মার্কা করে তাকে ।
স্কুল-কলেজ আর হাসপাতালে কাডারদের ই চাকরী মেলে,
সাহিত্য ও শিল্পক্ষেত্রে এদের ই হয় জয়
থানায় বসা পুলিশগুলো এদের করে ভয়।
চুরি-ডাকাতি-খুন আর ধর্ষণ যে করে,
মাথায় করে রাখে তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে।

এমন নরক কোনোখানে পাবেনা আর তুমি-
সে যে এদের বাংলা, সেযে সিপিএম এর ভুমি।

Sunday, February 17, 2008

বোলোনা- যাই

তুমি,
শুধু তুমি
চলে এস বারবার;
ভেঙ্গে ফেলে রুদ্ধ দূয়ার।
মাটি ফুঁড়ে, আকাশের বুক চিরে
সমুদ্রের তলা থেকে চলে এস ফিরে।
আগুনের কাছে । জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাক
যত আছে আশা। বুক জুড়ে শুধু থাক, থাক
ভাল্বাসা। বেদনা-বিধুর। রক্তের রেখা
দিয়ে লেখা থাক নাম তার- এই বুকে,
হে প্রিয়, তোমার চোখে যেন না
থাকে যন্ত্রনা । চাই না
সান্ত্বনা ।শধু বোলোনা
অমন করে,
বোলো-না
যাই ।

Tuesday, January 22, 2008

ছায়াসঙ্গী

আমি যাবনাতো সঙ্গে
তবু ফিরব সাথে সাথে।
ফিরব দিনে ফিরব রাতে
সকাল-দুপুর সাঁঝ-প্রভাতে,
দিবা স্বপ্ন হয়ে আমি
ফিরব আঁখির পাতে ।

আমি দেবনাতো ধরা
তবু ফিরব হাতে হাতে ।
লেখা হয়ে দেখা দেব
সবুজ পত্রিকাতে ।

আমি হাসি হয়ে পরশ করে যাব
-তোমায়-
বাতাস হয়ে করব আলিঙ্গন,
ঈর্ষা হয়ে জ্বলব
যদি দেখি কোনো সতীন আছি সাথে ।

আমি চাইবনাতো কিছু-
তবু কান্না হয়ে পরব ঝরে
যদি তুমি ফিরে না চাও পিছু ।

গভীর রাতে ফিরব তোমার বুকে
ফিরব চুপিসারে ।
মধুর হয়ে যাব মিশে-
প্রিয়, তোমার সুপ্ত চেতনাতে ।
তোমায় রাখবনাতো ধরে
তবু প্রেমের শিখা জ্বালিয়ে প্রাণে-
আশা হয়ে ফিরব প্রতীক্ষাতে

আশা ও ভালোবাসা

তুমি কেন তোমার মতন হলে
কেন ন-ও অন্য রকম
এ রকম প্রশ্ন কি করেছি তোমায় !

আমাকেও থাকতে দাও
আমার মতন হয়ে-
হৃদয়ের এক পাশে
চোখের কোনায় ।

তুমি যে তোমার মত- তাই,
বার বার দাও দূরে ঠেলে;
দুচোখ তোমার তুমি
রাখ বন্ধ করে ।
জান তবু তোমার আন্তরে
ব্যাকুল দু-চোখ মেলে
বসে আছি- লজ্জাহীন
দীনের থেকেও দীন
ভিখারির বেশে,
আশার প্রদীপ জ্বেলে ।

তুমি যে তোমার মতন
তাই ভালোবেসে
কাছে এসে নেবে বুকে তুলে-
আমার মতন এই আশা
বাঁচিয়ে রেখেছে ভালোবাসা

নিরালা

নিরালা এক ঘরের কোনায় ছিলাম বসে।
স্বপ্ন ছিল অলিক অনেক;
আশাও ছিল- তবু সে
সব ই ছিল ছাই চাপা
আগুন যেন। হঠাত্ সেদিন
ফাগুন মাসে ছন্নছাড়া
ঘরছাড়া এই পাগল হৃদয়
বিদায় দিল নিরালা কে ।

অনেক লোক, দৃষ্টি অনেক-
বৃষ্টি হল অনুকম্পা
ছিল যা সব
লুকিয়ে রাখা-
চক্ষুলজ্জার পর্দা ঢাকা-
দেখল অনেক চোখে ।

আমার হৃদয় দেখল তাকে
যাকে দেখার আশা
ছিল স্বপ্ন হয়ে আমার বুকে ।

নিরালা এক ঘরের কোনায় বসে আছি ।
শূণ্য হৃদয় পূর্ণ শোকে ।
বিদায় দিয়ে এলাম যাকে-
স্বপ্ন তার বন্দী আমার চোখে ।

Tuesday, January 15, 2008

ক্ষুদেনদী







ডিম‌্ ডিম‌্ ডিম‌্ মাদল বাজে
ক্ষুদে নদীর বাঁকে,
সুন্দরী লো সুন্দরী
সব নোলক দোলাও নাকে .
তির্‌ তির‌্ তির‌্ পাথর বেয়ে
নদীর ছুটে চলা ,
সুন্দরী তোর রূপের ছ্বটায়
বিবাগী মন ভোলা .
ঝিম‌‌্ ঝিম্ মন নেশায় মাতাল,
মাদল বাজার তালে,
সুন্দরী সব আয় ছুটে আজ
ক্ষুদেনদীর জলে ।

মাতাল আকাশ, মাতাল বাতাস
মাতাল নদীর জল।
মাতাল করা নাচের তালে
মাদলে তোল বোল ।
আগুন ঝরা ফাগুণমাসে
বনে বনে কি উচ্ছ্বাসে
ফোটে পলাশ ফুল,
পাষাণ বুকে মহুয়াফুল
দোলে দো-দুল দুল।
নেশা নেশা রঙিন চোখে
সুন্দরীলো তোকে দেখে
ভ্রমর হলো মন,
সুন্দরীলো বুকে এসে
মনের কথা শোন ।
ডিম্ ডিম্ ডিম্ মাদল বাজে
বুকে আমার ঝড়-
সুন্দরী লো কবে রে তুই
আসবি আমার ঘর !

ভন্ডামী




ভন্ডামীটা ঘোমটা মাথায়
বসে আছে অন্তরে,
বাইরে তবু লজ্জাবতী
কুলবধুর ভেক ধরে
ঠকাতে চাই জগতকে.

ঘরের মানুষ দোষ করেনি
মন্দ আমার অন্তরে
পরপুরষে মন মজেছে,
সাপ নচুনে মন্তরে
নাচাতে চাই মহত কে ।