Monday, July 7, 2008

রূপকথা




ছোটোবেলায় রূপকথা বড় ভালোবাসতাম,
বলতাম খালি, বল, বল আর বল ।।
কেমন করে সে দুঃখী মেয়েটা
পার হয়ে রাতটাকে-
হঠাত সেদিন রূপসী রানীটা হল !
রাতের আকাশ ঢেকে দিল তার লজ্জা ,
তারারা ডেকেছে- ঝলমলিয়ে জ্বলো ;
কেমন করে সে দুষ্টু রাজা কে ছেড়ে,
একদিন একা পরীর দেশেতে গেল !
আজকে জেনেছি রূপকথা নয় সত্যি
আজ ও ঘরে ঘরে দুঃখী মেয়েরা কাঁদে
রাতের আকাশ ঢাকেনা তাদের লজ্জা;
দুঃষ্টু রাজারা আস্টে-পৃষ্টে বাঁধে ।
দূর থেকে তাকে পরীর দেশটা ডাকে,
হাতছানি দেয়, নিতে চায় তাকে কোলে
ওখানে যাবেনা, ওটা ঠিক নয়, পাপ হয় গেলে,

রাজার লোকেরা বলে...।

Tuesday, June 24, 2008

কাছে-দূরে

যেদিন তুমি অনেক দূরে,
কোথায় যেন হারিয়ে গেলে,
ভেবেছিলাম আছো কোনো তারার দেশে,
উজ্জ্বল এক তারা হয়ে -
মন বলতো, আমি ও আছি তারার আলোয় ঝল-মলিয়ে,
সেই আকাশের একটি কোনায় ।
বেদনার একতারাতে- একটু খুশীর ছোঁয়া লেগে,
দুতারাটা বাজতো যেন গুনগুনিয়ে- মনে মনে ।
যেদিন তুমি এলে ফিরে,
তোমায় ঘিরে স্বপ্ন যত,
হঠাত ভেঙ্গে খান খান,

আর মন আনচান, অবুঝ ব্যাথায়-
সুর ভুলেছে তার দুতারা-
বাজতে চায়না আগের মতন,
জাগতে চায়না স্পর্শে তোমার -
হৃদয় জুরে - অঙ্গে অঙ্গে,

দুঃখ-সুখের দোলায় আছে যে আনন্দ
যায় যে ভেসে স্পর্শে এসে .।।

Wednesday, June 18, 2008

সোনালী




যখন সূর্য্য ডোবার সময় হয়েছিল, সোনালী রদ্দুর বলেছিল-

এখনি যেওনা ছেড়ে, বড় ভালোবাসি-

আমার সকল দিয়ে ঘিরে রাখতে এ আকাশ ।

কিন্তু সে তো কবে ই শেষ হয়ে গেছে,

এখন গোলাপীর আলিঙ্গনে মুগ্ধ আকাশ

ফিরে ও দেখবেনা তোমাকে সোনালী;

হেসে বলেছিল সূর্য্য,

আকাশ তো আসবে ফিরে,

রাত্রির গভীরে- নীলিমাকে দিতে সান্ত্বনা,

তোমার সকাল তুমি রাখ যত্ন করে

ভোরের আকাশ ঘিরে তোমার আঁচল থাক

থাক চীর কাল ,

অমলীন, নীলের থেকেও নীল

ও ই পূর্বাকাশে

সোনালী রোদ্দুর হাসে ।।

Wednesday, June 4, 2008

ছবি কথা বলে

এ অরন্য, ও ই মেঘ, এ ই যে গাছের সারি,
ঐখানে এক পাতায় ঢাকা ছোট্টো কুঁড়ে বাড়ি,
চলনা যাই মেঘলা দিনে
বেড়িয়ে পড়ি পথে,
পোষাক-আসাক, তেমন কোনো
নাইবা নিলে সাথে
শুধু ই কেবল মেঘের চাদর

জড়িয়ে নিয়ে গায়ে,
অনেক দূরে ও ই যে নীল পাহাড় দেখা যায়
তার ছায়াতে নিজের ছায়া মিশিয়ে দেব আজ

চল না যাই বেড়িয়ে পরি - থাক পরে সব কাজ ।।

Sunday, April 13, 2008

বিরহ

কতো দিন যেন দেখিনি
সবুজ আর নীলের মাখামাখি
ঐ অনেক দূরে-
যেখানে আকাশ হয়েছে শুরু,
কতোদিন শুনিনি ডাক-
নিরাসক্ত নয় যেখানে
মেঘের দামামা আর
ঢেউএর গুরু গুরু।।
ভেজা মাটির গন্ধ, বেল, জুই, চাঁপা
কতোদিন বাসেনি ভালো কেউ,
অসীম শক্তি নিয়ে
আছড়ে পড়েনি ঢেউ
তীরের উপর ।
শুধু কষ্ট বুক চাপা-
মিথ্যা অভিনয়।
কতদিন যেন দিখিনি তোমায়
মনে হয় ।।

রাধা উবাচ


জল ছিলনা চোখে আমার-
পূর্ণ হয়নি আশা ?
তাই কি এত কঠিন আঘাত
চোখের জলে ভাসা ?
বুঝতে যদি কোন গভীরে
ডুব দিয়েছে মন ;
দেখতে পেতে এই এখানেই
রাধার বৃন্দাবন ।
চোখের জলের ভাষায় যদি
হয় এ প্রেমের জয়,
চাইনা অমন তুচ্ছ কিছু
এমন পরিণয় ।
তুমি আছ দাঁড়িয়ে যেথায়,
জগত সেখানে নেই,
চলেও যদি যাও হে প্রিয়
থাকবে এ প্রাণেই।
চোখের জলের পাওনি দেখা
পূর্ণ হয়নি আশা !
হৃদয় দিয়ে ঢেকেছি যে
তোমার ভালবাসা ।।

Friday, April 11, 2008

শূণ্য্য


শূণ্যতা
এত অপূর্ণতা কেন
জীবন জুরে থাকে?
খুঁজব কোথায়
কেমন করে পাব তাকে,
আকাশ ভরা সূর্য তারার
ফাঁকে ফাঁকে
যে পূর্ণতার আভাস মেলে
সব ফেলে আজ
তাকেই শুধু খুঁজি।
এ কেমন খেলা
মন আমার
তুমি খেলছে বল দেখি।
শূণ্য কে আজ পূর্ণ
বলে হচ্ছে মনে।
বনে বনে
পাতায় পাতায়
ফুলে ফলে
জলে স্থলে
কে যেন ডাক দিচ্ছে
আকুল স্বরে
শুণ্য হৃদয়
কার প্রেমে আজ
ভরল এমন করে !