ওরা প্রশ্ন করে কেন নয় মাতৃ ভাষা দিয়ে ।
মাতৃদুগ্ধের মত ভাষা ও যখন অপ্রতুল ;
আঁতুরঘর ছেড়ে ভাষাহীন বেদনার কান্না
জমে ওঠে । তোলপাড় করে ।
ঐ ভেসে আসা ঢেউ জীবনের মানে বদলে দেয় !
সে সময় কেউ তো আসেনা কাছে
দেয়না সান্ত্বনা ।
কালো কালো অক্ষরের আঁকা বাঁকা রেখা
দুর-দুরান্তের পানে মিশে যায় আশার ধোঁয়াসায় ।
বলোনা বলতে নেই এসব কথা এমন অপ্রাপ্ত ভাষায় ,
লুকিয়ে রাখো অন্তঃপুরে , ওরা বলে ওঠে।
ঘষে মেজে পরিস্কার কর স্টেনলেশ স্টিলের মতন ;
তারপরে এস এই ঘরে ।
বকুলের মালা গাঁথা সারা ,দুঃসহ বেদনার রক্ত ঝরে পরে ।
ঠিক সে সময় জ্বলে ওঠে হৃদয় নামের পাগলটা;
যাঃ তোদের ভাষা আমার নয় ,
আমার ভাষা কাছের ভাষা ,
আমার ভাষা আমার-ই ।
জ্বালামুখী ভিসুভিয়াসের আগুনের ফুলকি
তারা, ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে আসে
বহিঃপ্রকাশে ।
মাকেই যদি পেলাম না ,তার ভাষা যাক ভেসে ।
আমার আর পাবার কিছু নেই এ দেশে ।
আমার ভাষা যে আমার সুন্দরী এক মেয়ে ।
Wednesday, August 25, 2010
Friday, July 30, 2010
আমি পাহাড় দেখেছিলাম
তুমি মুষিক ,
দয়া নাকি ঘৃণা বুঝিনি
তবু পেড়িয়েছিলাম
তোমারই সহায়তায় ।
সে অনেক কাল আগের কথা
গত জন্ম যেন ।
ওপারে কিছুই পাইনি তেমন
যা চেয়েছিলাম ।
কেমন করে ফিরতে হবে
ছিলনা জানা । তবু আগের মতই
তোমার কাছে ভিক্ষা চেয়ে চেয়ে
ফিরেছি একা ।
এবারে তোমার ঘৃণার ও যদি
দেখা না পেলাম ,
তবে বৃথাই জন্ম
এ কথা ঠিক ।
আমি পাহাড় দেখেছিলাম,
আর তুমি মুষিক ।।
তুমি মুষিক ,
দয়া নাকি ঘৃণা বুঝিনি
তবু পেড়িয়েছিলাম
তোমারই সহায়তায় ।
সে অনেক কাল আগের কথা
গত জন্ম যেন ।
ওপারে কিছুই পাইনি তেমন
যা চেয়েছিলাম ।
কেমন করে ফিরতে হবে
ছিলনা জানা । তবু আগের মতই
তোমার কাছে ভিক্ষা চেয়ে চেয়ে
ফিরেছি একা ।
এবারে তোমার ঘৃণার ও যদি
দেখা না পেলাম ,
তবে বৃথাই জন্ম
এ কথা ঠিক ।
আমি পাহাড় দেখেছিলাম,
আর তুমি মুষিক ।।
Sunday, July 25, 2010
মিলন
যেদিন তোমার চোখে লালসা দেখেছিলাম ;
ঘৃণায় অন্তর পুড়ে ছাই !
এর পর মাঝে মাঝে
কারনে অকারনে
তোমার চোখের দিকে দৃষ্টি চলে যায় ।
কে তুমি ! দেখিনি তো আগে ।
কেন আস বারে বার ,
সবার অলক্ষে
আমার প্রতিটি কোষে আগুন ছড়াও ।
এত গুলি বছরের এত গুলি রাত ,
কেটে গেছে শুদ্ধতায় স্নান করে করে ।
দেবতার চরণতলে করে প্রনিপাত ।
আজ কেন ঘোমটায় নাচ !
কেন প্রাণ আনচান ,
কেন মন বলে –
বৃথা আমার জীবন ।
আমার নিজের ছায়া
তোমাতে দেখেছি ,
তুমি আমার আধার ।
ছোটো ছোট ঢেউ যেন
সাগরের গায় –
আমি তোমাতে হারাব আজ
শেষ শুদ্ধতায় ।
ঘৃণায় অন্তর পুড়ে ছাই !
এর পর মাঝে মাঝে
কারনে অকারনে
তোমার চোখের দিকে দৃষ্টি চলে যায় ।
কে তুমি ! দেখিনি তো আগে ।
কেন আস বারে বার ,
সবার অলক্ষে
আমার প্রতিটি কোষে আগুন ছড়াও ।
এত গুলি বছরের এত গুলি রাত ,
কেটে গেছে শুদ্ধতায় স্নান করে করে ।
দেবতার চরণতলে করে প্রনিপাত ।
আজ কেন ঘোমটায় নাচ !
কেন প্রাণ আনচান ,
কেন মন বলে –
বৃথা আমার জীবন ।
আমার নিজের ছায়া
তোমাতে দেখেছি ,
তুমি আমার আধার ।
ছোটো ছোট ঢেউ যেন
সাগরের গায় –
আমি তোমাতে হারাব আজ
শেষ শুদ্ধতায় ।
Thursday, July 15, 2010
পন্ডিত
দর্শণের পন্ডিত আমি ,
আমি করিনা কিছু কে ভয়;
বিশ্ববিজয় করব যে আমি ,
আমি হয় কে করব নয়।
বুঝেছি আমি আলোচনা করে ,
বহু গবেষনা , তর্কের পরে ,
আমার বুদ্ধি জানতে পারেনা
যাকে ,
সে কি সত্যি হয় ,
আমি ‘হয়’ কে করব ‘নয়’ ।
চন্দ্র, সুর্য্য গ্রহ তারা যত
রুপ, রস আর গন্ধের মত ,
সবই যে অলীক স্বপ্নের মত ,
শূণ্যে করব লয় ।
চলেছি আমি সত্যের পথে ,
কান্ট, হেগেল আর ব্র্যাডলের সাথে
আমি যে পড়েছি বই এর পাতাতে ,
সব কিছু নাশ হয় ।
চারি পাশে যত আছে বোকা সোকা
যত বিঙ্গানী , যত ডাকা বোকা ,
কারুকে আমি করিনা পরোয়া ,
জানি
কিসে থেকে কি যে হয় ।
প্রেম, ভালোবাসা যত অনুরাগ ,
বিষ্ঠার মত করে দেব ত্যাগ ,
জগতে কিছুই নেই সাধনার ,
চেতনাই যদি যায় ।
বুঝেছি আমি সকল ই মিথ্যা ,
আমিও মিথ্যা, তুমি ও মিথ্যা ।
বুঝিনি শুধু যে একখানি কথা –
চেতনা যে কারে কয় !!!
আমি করিনা কিছু কে ভয়;
বিশ্ববিজয় করব যে আমি ,
আমি হয় কে করব নয়।
বুঝেছি আমি আলোচনা করে ,
বহু গবেষনা , তর্কের পরে ,
আমার বুদ্ধি জানতে পারেনা
যাকে ,
সে কি সত্যি হয় ,
আমি ‘হয়’ কে করব ‘নয়’ ।
চন্দ্র, সুর্য্য গ্রহ তারা যত
রুপ, রস আর গন্ধের মত ,
সবই যে অলীক স্বপ্নের মত ,
শূণ্যে করব লয় ।
চলেছি আমি সত্যের পথে ,
কান্ট, হেগেল আর ব্র্যাডলের সাথে
আমি যে পড়েছি বই এর পাতাতে ,
সব কিছু নাশ হয় ।
চারি পাশে যত আছে বোকা সোকা
যত বিঙ্গানী , যত ডাকা বোকা ,
কারুকে আমি করিনা পরোয়া ,
জানি
কিসে থেকে কি যে হয় ।
প্রেম, ভালোবাসা যত অনুরাগ ,
বিষ্ঠার মত করে দেব ত্যাগ ,
জগতে কিছুই নেই সাধনার ,
চেতনাই যদি যায় ।
বুঝেছি আমি সকল ই মিথ্যা ,
আমিও মিথ্যা, তুমি ও মিথ্যা ।
বুঝিনি শুধু যে একখানি কথা –
চেতনা যে কারে কয় !!!
Thursday, July 8, 2010
লাবন্যদের কথা
নাই বা জানলে আমার অবসর
কি ভাবে কাটে একটা দুটো পাখি গুনে গুনে ।
আকাশের নীলে ঘুরি ওড়ার ছন্দে
আমার প্রাণের অনন্দে নেচে ওঠা ।
তবু তো থাকবে কিছুটা আড়াল
আমার নিজের করে ।
সাতপাকে বাঁধা পড়ে শেষ হয়ে গেছে
যা কিছু নিজের , আমার সব কিছু ,
তার উপর তোমার পূর্ণ অধিকার ,
নাই বা থাকল ।
নিশীথে কালো আকাশের বুকে তারাদের বন্যায়
আমি খুঁজি ফিরি আমার মিতা কে ;
তুমি নাইবা জানলে তা ।
আনার কবিতা তোমার চোখের তারায়
খুঁজবনা আমি । আমি জানি কোন খানে
বাজে স্বছন্দে।তোমায় আমায় বন্ধন হোক কাজে ।
মেয়ের বিয়ের বাজারের ফর্দটা ;
থাক তোমার জন্য তোলা ।শেষের সে দিন
মাথায় পরিও সিঁদুরের গোলা তুমি ।
আমার শরীর , মন ,
তোমাকে তো আমি করেছি সমর্পন
আগুনের ছোঁয়া নিয়ে ।
শুধে প্রাণের ভিতর থেকে থেকে বাজে
রিনিকি ঝিনিকি সুরে , কবিতা আমার
গান হয়ে যায় মিতার অন্তপুরে ;
থাক তারা সেই খানে ,
তাদের নিজের লাবন্যে ।।
কি ভাবে কাটে একটা দুটো পাখি গুনে গুনে ।
আকাশের নীলে ঘুরি ওড়ার ছন্দে
আমার প্রাণের অনন্দে নেচে ওঠা ।
তবু তো থাকবে কিছুটা আড়াল
আমার নিজের করে ।
সাতপাকে বাঁধা পড়ে শেষ হয়ে গেছে
যা কিছু নিজের , আমার সব কিছু ,
তার উপর তোমার পূর্ণ অধিকার ,
নাই বা থাকল ।
নিশীথে কালো আকাশের বুকে তারাদের বন্যায়
আমি খুঁজি ফিরি আমার মিতা কে ;
তুমি নাইবা জানলে তা ।
আনার কবিতা তোমার চোখের তারায়
খুঁজবনা আমি । আমি জানি কোন খানে
বাজে স্বছন্দে।তোমায় আমায় বন্ধন হোক কাজে ।
মেয়ের বিয়ের বাজারের ফর্দটা ;
থাক তোমার জন্য তোলা ।শেষের সে দিন
মাথায় পরিও সিঁদুরের গোলা তুমি ।
আমার শরীর , মন ,
তোমাকে তো আমি করেছি সমর্পন
আগুনের ছোঁয়া নিয়ে ।
শুধে প্রাণের ভিতর থেকে থেকে বাজে
রিনিকি ঝিনিকি সুরে , কবিতা আমার
গান হয়ে যায় মিতার অন্তপুরে ;
থাক তারা সেই খানে ,
তাদের নিজের লাবন্যে ।।
Tuesday, June 29, 2010
নারী
ধুক পুক ধুক পুক বুকের ভিতর ।
বসে আছে কাল গুনে গুনে আসবে সে কবে
কবে দেখা হবে ।
সে এসে ও তো গেল চলে
দেখল না চেয়ে
কথাটি না বলে ।
নারীর মনের কথা বল দেখি তুমি ,
কে জেনেছে কবে
জনে জনে কথা বলে
হাসির দমকে ভেঙ্গে পরে ।
তার গ্রীবা ভঙ্গীমা , তার চটুলতা
মন্ত্রমুগ্ধ্ব স্তাবকের দল ,
খায় চেটে পুটে ।
কেউ তো জানে না তারা –
যত্ন সহকারে ।
রেখেছে সরিয়ে তার সে মাহেন্দ্র ক্ষন ,
যত কথা না-বলা না-শোনা
তোমার অপেক্ষায় ,
হাতে হাত রেখে চোখে রেখে চোখ ।
আর যত কাজ আছে আগে সারা হোক ।
সারা হল সব কাজ,
শেষ অতিথি গেলে ,
গভীর আশায় বুক বেঁধে ,
এসে সে দাঁড়াল কাছে।
দুরু দুরু বুকে ,
তোমার দুচোখে চোখ মেলে।
যে পথে সে গেল চলে, যে দরজা খুলে
সেই পথে চেয়ে চেয়ে নিজেকে দুষছ জানি,
কেন একবার তাকে ডাকলেনা ফিরে,
কেন তার ব্যাথাভরা চোখের তারায়
খুঁজলে না তুমি ,
যে কথা না বলা ।
কোন অসহ ক্রোধ
তোমার বুকের মধ্যে তীর হয়ে আছে ।
তুমি তো জাননা বন্ধু ;
নারী কিন্তু বোঝে ।।
বসে আছে কাল গুনে গুনে আসবে সে কবে
কবে দেখা হবে ।
সে এসে ও তো গেল চলে
দেখল না চেয়ে
কথাটি না বলে ।
নারীর মনের কথা বল দেখি তুমি ,
কে জেনেছে কবে
জনে জনে কথা বলে
হাসির দমকে ভেঙ্গে পরে ।
তার গ্রীবা ভঙ্গীমা , তার চটুলতা
মন্ত্রমুগ্ধ্ব স্তাবকের দল ,
খায় চেটে পুটে ।
কেউ তো জানে না তারা –
যত্ন সহকারে ।
রেখেছে সরিয়ে তার সে মাহেন্দ্র ক্ষন ,
যত কথা না-বলা না-শোনা
তোমার অপেক্ষায় ,
হাতে হাত রেখে চোখে রেখে চোখ ।
আর যত কাজ আছে আগে সারা হোক ।
সারা হল সব কাজ,
শেষ অতিথি গেলে ,
গভীর আশায় বুক বেঁধে ,
এসে সে দাঁড়াল কাছে।
দুরু দুরু বুকে ,
তোমার দুচোখে চোখ মেলে।
যে পথে সে গেল চলে, যে দরজা খুলে
সেই পথে চেয়ে চেয়ে নিজেকে দুষছ জানি,
কেন একবার তাকে ডাকলেনা ফিরে,
কেন তার ব্যাথাভরা চোখের তারায়
খুঁজলে না তুমি ,
যে কথা না বলা ।
কোন অসহ ক্রোধ
তোমার বুকের মধ্যে তীর হয়ে আছে ।
তুমি তো জাননা বন্ধু ;
নারী কিন্তু বোঝে ।।
Sunday, June 6, 2010
সে এদিক ওদিক ছুটে বেড়ায় সারাটি দিন ,
বসে থাকি একা একা ।
কি জানি কি লিখেছে যে ভাগ্যলেখা ।
বোঝালেও কি বুঝবে নাকি
সে যে ভীষণ বোকা ।
শূণ্য ঘরের দরজা জানলা হা হা খোলা ,
কখন যে কোন আসবে ডাকাত যায়না বলা ।
কোনো কথায় কান দেবে না ছুটছে খালি ।
পার হয়ে যায় বড় রাস্তা চোরা গলি ।
কাগজের টাকার পাহাড় করছে জরো ।
ধনী তাকে হতেই হবে আরো আরো ।
ছিঁচকে চোর আর বড় ডাকাত
ঘুরছে কেবল তাকে তাকে ,
কখন সুযোগ মিলবে তারা লুঠবে কাকে ।
আমি কেবল ঘরের ভিতর বসে বসে
তাকাই মুখে , আর কতদিন সময় গেলে
মন দেবে সে আমার দিকে ।
কবে সে যে খুঁজে পাবে সেই মুলধন ,
হৃদয় জুরে আছে যা
তার পায়না নাগাল কোন চোরে -
বিলিয়ে দিলেও সে ঘর খুলে।
বসে থাকি একা একা ।
কি জানি কি লিখেছে যে ভাগ্যলেখা ।
বোঝালেও কি বুঝবে নাকি
সে যে ভীষণ বোকা ।
শূণ্য ঘরের দরজা জানলা হা হা খোলা ,
কখন যে কোন আসবে ডাকাত যায়না বলা ।
কোনো কথায় কান দেবে না ছুটছে খালি ।
পার হয়ে যায় বড় রাস্তা চোরা গলি ।
কাগজের টাকার পাহাড় করছে জরো ।
ধনী তাকে হতেই হবে আরো আরো ।
ছিঁচকে চোর আর বড় ডাকাত
ঘুরছে কেবল তাকে তাকে ,
কখন সুযোগ মিলবে তারা লুঠবে কাকে ।
আমি কেবল ঘরের ভিতর বসে বসে
তাকাই মুখে , আর কতদিন সময় গেলে
মন দেবে সে আমার দিকে ।
কবে সে যে খুঁজে পাবে সেই মুলধন ,
হৃদয় জুরে আছে যা
তার পায়না নাগাল কোন চোরে -
বিলিয়ে দিলেও সে ঘর খুলে।
Subscribe to:
Posts (Atom)

